সেরা কিছু রেডমি নতুন ফোন এর দাম ও রিভিউ ২০২৩

আপনি কি রেডমি নতুন ফোন কিনতে চাচ্ছেন? তাহলে আজকের এই পোস্ট শেষ পর্যন্ত সুন্দরভাবে মনোযোগ দিয়ে পড়তে থাকুন।

আজকের এই পোষ্টের মধ্যে আপনাদের সাথে আমরা এই রেডমি নতুন ফোন গুলো শেয়ার করব। বর্তমানে রেডমি ব্র্যান্ডের প্রতিটা মোবাইল বাংলাদেশী মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

এর প্রধান কারণ হচ্ছে redmi কোম্পানি থেকে যে মোবাইল গুলো বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় এগুলোর মধ্যে থাকা পার্টস গুলো বেশ ভালো হয়ে থাকে এবং মোবাইলগুলো অনেক বেশি দিন ব্যবহার করা যায়।

রেডমি নতুন ফোন – redmi latest phone price

তো বন্ধুরা যেহেতু আপনারা রেডমি কোম্পানি থেকে প্রকাশিত একদম লেটেস্ট মোবাইল গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাচ্ছেন। এই কারণে আমরা পোষ্টের মধ্যে সুন্দরভাবে আপনাদেরকে এই রেডমি নতুন ফোন গুলোর স্পেসিফিকেশন এবং এই ফোনের দাম গুলো জানিয়ে দেবো।

Xiaomi Redmi A2+ Price in Bangladesh

শাওমি রেডমি ব্রান্ড থেকে সারা বিশ্বে অনেক মোবাইল লঞ্চ করা হয়। কিন্তু এই বাংলাদেশের মধ্যে যেহেতু সরকারের ভ্যাট অনেক বেশি যার কারণে খুব বেশি মোবাইল তারা বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পারে না।

তো বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত যে সমস্ত মোবাইল লঞ্চ হয়েছে তার মধ্যে সর্বশেষ মোবাইলের নাম হচ্ছে শাওমি রেডমি এ টু প্লাস । তো এখন এই মোবাইলটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এবং এই মোবাইলের দাম কেমন সবকিছু নিচে লেখা হলো।

মোবাইলটি আপনারা সর্বমোট দুইটি ভেরিয়েন্ট এ পেয়ে যাবেন। এই মোবাইলের মডেল গুলোর নাম হল 23028RNCAG, 23028RN4DI এবং 23028RNCAI

২০২৩ সালের মার্চ মাসের শেষের দিকে এই রেডমী মোবাইল সর্বপ্রথম রিলিজ হয় এবং সেই দিনই বাংলাদেশেও এটি প্রথম লঞ্চ হয়।

এই মোবাইলের যে ডিজাইন করা হয়েছে সেটি অনেক চমৎকার দেখতে। টোটাল তিনটি কালারে আপনার মোবাইলটি পাবেন কালো নীল এবং সবুজ । তবে এই রংগুলো সরাসরি নয় এখানকার মধ্যে ডিজাইন আছে।

মোবাইলটিতে রয়েছে 4জি নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুবিধা এবং এখানে ওয়াইফাই ও হটস্পটও ব্যবহার করা যাবে।

এটাতে টাইপ সি পোর্ট না থাকলেও যে ইউএসবি 2.0 ভার্সন আছে সেটা দিয়ে আপনার মোবাইল ফোনটিতে চার্জ দিতে পারবেন সাথে ওটিজি কেবল ব্যবহার করতে পারবেন ।

পড়ুনঃ সেরা পাচটি 500 টাকার মোবাইল ঘড়ি দেখুন

৬.৫২ ইঞ্চি আকারের একটি ডিসপ্লে বসানো আছে মোবাইলটিতে। এর রেজুলেশন এইচডি প্লাস এর সাথে ৭২০ × ১৬০০ পিক্সেল।

মোবাইল ফোনটিতে আপনারা মোট তিন টি ক্যামেরা পাবেন তার মধ্যে সামনের ব্যবহার করা হয়েছে ৫ মেগাপিক্সেলের একটি সেলফি ক্যামেরা এবং এর পিছনে দুইটি ক্যামেরার মধ্যে একটি ৮ মেগাপিক্সেল এবং আরেকটি 0.8 মেগাপিক্সেল এর।

অপারেটিং সিস্টেম এ android এর ভার্সন ১৩ ব্যবহার করা হয়েছে।

এগুলো ছাড়াও এখানে দশ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সিস্টেম পেয়ে যাবেন যেটি দিয়ে 5000 mah এর ব্যাটারিটি সুন্দরভাবে চার্জ করা যাবে।

redmi কোম্পানির এই ফোনটিতে যেহেতু দুইটি স্পেসিফিকেশন রয়েছে এই কারণে ফোনটির দাম ও দুইটি আলাদা আলাদা রয়েছে। ৩ জিবি র্যাম এবং ৬৪ জিবি ফোন মেমোরির যে ভেরিয়ান্টটি আছে সেটার দাম হল ৯৯৯৯ টাকা।

আর এটার মধ্যে যে চারজিবি রেম এবং ৬৪ জিবি রোম এর ভেরিয়েন্ট আছে সেটার দাম হল ১০৯৯০ টাকা।

মোবাইলটির স্পেসিফিকেশন হিসেবে এটি কম দামের মধ্যে খুব ভালো একটি redmi কোম্পানির মোবাইল। আপনারা চাইলে এই মোবাইলটি নিতে পারেন। যদি বাজেট ৯০০০ বা ১০ হাজার টাকা হয়ে থাকে।

Xiaomi 13 Lite Price in Bangladesh

লেটেস্ট শাওমি রেডমি মোবাইল গুলোর মধ্যে এই শাওমি থার্টিন লাইট মোবাইলটি ও লঞ্চ করা হয়েছে। তবে এই মোবাইলটি একটি ফ্ল্যাগ সিপ মোবাইল এর মধ্যে পড়ে।

এই কারণে আপনার বাজেট যদি বেশি হয়ে থাকে তাহলে এই মোবাইলের বিস্তারিত গুলো নিছে থেকে পড়ুন। এখানে বলে রাখা ভালো এই মোবাইলটি অফিসিয়াল এবং আনঅফিসিয়াল দুই ভাবেই বাংলাদেশে পাওয়া যাবে।

মোবাইলটির সব থেকে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে এর ডিজাইন এবং কালার। মোবাইলটি যে সমস্ত কালারে পাওয়া যাবে এবং এর ডিজাইন যে রকম করা হয়েছে এটি দেখতে একদম মনোমুগ্ধকর।

কালো , লাইট ব্লু এবং লাইট পিঙ্ক এই তিনটি রং এর পাওয়া যাবে মোবাইল ফোনটি।

চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালের মার্চ এর ৮ তারিখে বাংলাদেশে মোবাইলটি এসেছিল।

মোবাইলটির উপরের দিকে আপনারা ডাবল পাঞ্চহোল পাবেন যেটি দেখতে অনেক সুন্দর এবং ডিসপ্লের সৌন্দর্য তা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।

ডিসপ্লে টিতে যাতে বাইরে থেকে কোন আঘাত না পড়ে এই কারণে এর উপর দিয়ে গরিলা গ্লাস ফাইভ এর মজবুত একটি প্রটেকশন ও দিয়ে দেওয়া আছে।

মোবাইলের পিছনে মোট তিনটি ক্যামেরা পাবেন একটি ৫০ মেগাপিক্সেল আর একটি ৮ মেগাপিক্সেল এবং বাকি একটি দুই মেগাপিক্সেলের সেন্সর।

এছাড়াও এই মোবাইলের সামনে মোট দুইটি ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে একটি 32 মেগাপিক্সেল এর মেইন ক্যামেরা এবং সাথে আরেকটি ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা সেন্সর।

মোবাইল ফোনটির পাওয়ার সাপ্লাই ঠিক রাখার জন্য এখানে ৪৫০০ মিলি এম্পিয়ারের চমৎকার একটি লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি প্রদান করা হয়েছে।

আর সব থেকে বিস্ময়কর জিনিস হচ্ছে মোবাইল ফোনের সাথে আপনারা ৬৭ ওয়াট এর ফাস্ট চার্জিং সিস্টেম পেয়ে যাবেন যেটা দিয়ে মোবাইল ফোনটিকে পুরোপুরি চার্জ করতে মাত্র ৪০ মিনিট সময় প্রয়োজন হবে।

অ্যান্ড্রয়েড ১২ ভার্সন এর অপারেটিং সিস্টেম ইনক্লুড পেয়ে যাবেন মোবাইলটিতে। এছাড়াও আপনারা এই মোবাইল ফোনটিতে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সিকিউরিটি আপডেট পেতে থাকবেন একদম ফ্রিতে।

বর্তমানে এন্ড্রয়েড ১২ ভার্সন বিল্ড ইন থাকলেও আপডেট এর মাধ্যমে ধারণা করা হচ্ছে এটি android14 পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।

এই মোবাইল ফোনের চিপসেট এ কোয়ালকম স্নাপ ড্রাগন এর 7 জেনারেশন এর একটি পাওয়ারফুল চিপসেট দিয়েছে কোম্পানি থেকে। মাত্র চার নেনোমিটার এর একটি চিপসেট এটি।

এই মোবাইল ফোনের মধ্যে আপনারা ৮ জিবি বিশাল রেম এর সাথে ২৫৬ জিবি মোবাইল ফোনের স্টোরেজ পেয়ে যাবেন। তবে এখানে আপনারা আলাদা করে কোন ধরনের মেমোরি কার্ড ব্যবহার করার অপশন পাচ্ছেন না।

সিকিউরিটি হিসেবে এখানে যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটি দেওয়া হয়েছে সেটা সরাসরি ডিসপ্লে এর মধ্যে বসানো আছে যার কারণে ডিসপ্লের নিচে টাচ করলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর টি কাজ করবে এবং আপনার মোবাইল ফোনটি আনলক হবে।

সিকিউরিটি অপশন আরো মজবুত করার জন্য ফোনের মধ্যে আপনারা খুব ফাস্ট একটি ফেস আনলক সিস্টেম পেয়ে যাবেন।

তো বন্ধুরা দেখতেই পাচ্ছেন এই রেডমি নতুন ফোনটির স্পিসিফিকেশন কেমন এবং কোম্পানি থেকে কেমন অফার করা হচ্ছে। তবে যেহেতু এটি একটি flexship phone যার কারণে এর দাম কিছুটা বেশি রয়েছে।

এই মোবাইলের অফিসিয়াল প্রাইস হচ্ছে ৪৯৯৯৯ টাকা। আর যদি আপনারা এটি আন অফিশিয়াল ভাবে কিনতে চান তাহলে ৪২৪৯৯ টাকা দাম পড়বে। তবে আমার মনে হয় যদি আপনার আনঅফিসিয়াল ভাবে ট্রাস্টেড শপ থেকে কিনতে পারেন তাহলে আনঅফিশিয়ালই কিনুন।

Xiaomi Redmi Note 12 Price in Bangladesh

শাওমি কোম্পানি থেকে নোট সিরিজের যে সমস্ত মোবাইল লঞ্চ করা হয় তার জনপ্রিয় কতটা বেশি সেটা আপনারা সকলেই জানেন। একাধারে নোট সিরিজ এর অনেকগুলো মোবাইল এই কোম্পানি থেকে মার্কেটে নিয়ে আসা হয়েছে।

ঠিক এরকম xiaomi redmi note 12 মোবাইল টিও খুব লেটেস্ট একটি মোবাইল। এই মোবাইল ফোনটি আপনারা মোট চারটি ভেরিয়েন্ট এ পাবেন।

তবে এই চারটি ভ্যারিয়েন্ট E আবার আপনারা অফিশিয়াল এবং আনঅফিসিয়াল দুই ভাবেই ক্রয় করতে পারবেন।

নোট সিরিজের ১২ মোবাইল এর ডিজাইন অনেক সুন্দর। এই মোবাইলটির ডিসপ্লের উপরের মাঝখানে একটি পাঞ্চহোল ক্যামেরা বসানো আছে যেটা দেখতে অনেক চমৎকার লাগে।

চলতি বছরের মার্চ মাসেই মোবাইলটি প্রথম বাংলাদেশের লঞ্চ করা হয়। টোটাল তিনটি কালার এর মোবাইল পাবেন আপনারা। যেগুলো প্রতিটিই অনেক সুন্দর দেখতে।

এই মোবাইলের পিছনে ত্রিপল ক্যামেরা সেটআপ দেওয়া হয়েছে। যেখানে প্রধান ক্যামেরাটি হলো ৫০ মেগাপিক্সেল এর এবং বাকি দুটির মধ্যে একটি ৮ মেগাপিক্সেল আর একটি দুই মেগাপিক্সেল এর।

এছাড়াও এখানে সেলফি তোলার জন্য আরো একটি সুন্দর ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে যেটার মেগা পিক্সেল হলো ১৩।

এই মোবাইল ফোনের পাওয়ার সাপ্লাই সিস্টেমে ৫০০০ মিলিয়্যাম্পিয়ার এর একটি বিশাল বড় ব্যাটারি ব্যবহার করা। আর এই ব্যাটারিটিকে খুব দ্রুত চার্জ দেওয়ার জন্য ৩৩ ওয়াটের আলাদা একটি ফাস্ট চার্জার ও পেয়ে যাবেন মোবাইল বক্স এর মধ্যে।

যদিও মোবাইলটি এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এ চলবে তবে এর অপারেটিং সিস্টেম এর ভার্শন হল এন্ড্রয়েড থার্টিন।

নোট সিরিজের এই মোবাইলটিকে আপনারা মোট দুইভাবে সিকিউরিটি দিতে পারবেন। একটি হচ্ছে ফেস আনলক এবং আরেকটি হচ্ছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক সিস্টেম। তবে এই ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক সিস্টেমটি সাইট মাউন্টেড লাগানো হয়েছে।

অর্থাৎ মোবাইলের সাইটে যে পাওয়ার বাটন লাগানো হয় সেই পাওয়ার বাটন এর ওপরে সুন্দরভাবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর টি বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মোবাইল ফোনটির মধ্যে ১০৮০ × ২৪০০ পিক্সেল রেজুলেশন এবং এইচডি প্লাস এর একটি আকর্ষণীয় ডিসপ্লে পাবেন। আরো একটি ভালো দিক হচ্ছে এখানে এমুলেড টাচস্ক্রিন প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে।

এখানে যে ডিসপ্লেটি দেওয়া হয়েছে সেই ডিসপ্লেটির রিফ্রেশ রেট হচ্ছে ১২০ হার্জ। এছাড়াও মোবাইল ফোনের মধ্যে থাকা টাচ এবং ডিসপ্লে কে প্রটেক্ট করার জন্য এখানে শক্ত এবং মজবুত কর্নিং গরিলা গ্লাস প্রটেকশন থ্রি ব্যবহার করা হয়েছে।

মোবাইলটিতে যাতে খুব ভালোভাবে গেমিং করা যায় এবং অ্যাপ্লিকেশন গুলো সুন্দর ভাবে চালানো যায় এই কারণে এখানে চিপসেট সেকশনে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬৮৫ চিপসেট বসানো হয়েছে। আর এই চিপসেট টি একটি ৬ ন্যানোমিটার এর চিপসেট এবং 4 জি।

সাধারণভাবে একটি মোবাইল ফোন চালানোর জন্য এখানে বেসিকভাবে যে সমস্ত নেটওয়ার্ক থাকা দরকার সেগুলো প্রত্যেকটি এই মোবাইল ফোন এর মধ্যে ইনবিল্ড দেওয়া আছে।

যেহেতু এই মোবাইলটির ভেরিয়ান্ট বেশ কয়েকটি আলাদা আলাদা রয়েছে এই কারণে এখানে প্রতিটি ভেরিয়েন্ট এর ক্ষেত্রে রেম এর স্টোরেজ এবং ফোন মেমোরির স্টোরেজ এর মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে।

এই ফোনের মোট চারটি ভেরিয়েন্ট এর মধ্যে শেষের দুইটি ভ্যারিয়েন্টে ৮ জিবি করে রেম ব্যবহার করা হয়েছে এবং শুরুর দুইটি ভেরিয়েন্ট এর মধ্যে একটিতে 4gb এবং দ্বিতীয়টিতে ৬ জিবি র‍্যাম।

ইন্টার্নাল স্টোরেজ এর ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনটির প্রথম তিনটি ভ্যারিয়েন্ট এর মধ্যে ১২৮ জিবি ইন্টার্নাল মেমোরি দেওয়া হয়েছে এবং ২৫৬ জিবি ফোন মেমোরি দেওয়া আছে।

এগুলো ছাড়াও এই মোবাইল ফোনটির আরো একটি আন অফিশিয়াল ভেরিয়েন্ট থাকতে পারে। তবে মোবাইলটি ক্রয় করার ক্ষেত্রে অবশ্যই সঠিকভাবে যাচাই করে নিবেন যে এটি অফিসিয়াল নাকি আনঅফিসিয়াল।

আর অবশ্যই এই ফোনে থাকা রেম এবং রোম টিও চেক করে নিবেন। এখানে এই ভেরিয়েন্টগুলোর দাম 19 হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়েছে। নিচে আমি আপনাদেরকে একটি ফটো যুক্ত করে দিয়েছি যে ফটোটি দেখে আপনারা মোবাইল ফোনের ভেরিয়েন্টগুলোর দাম সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন।

তবে হ্যাঁ যদি আপনি আনঅফিসিয়ালভাবে এটি কিনতে চান তাহলে বিভিন্ন জায়গায় এর দাম ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। তাই অবশ্যই ভালোভাবে দেখে শুনে ক্রয় করার চেষ্টা করবেন।

পরিশেষে

আজকের পোস্টে আমরা বেশ কয়েকটি রেডমি নতুন ফোন সম্পর্কে বিস্তারিত আপনাদের সামনে আলোচনা করেছি। এই পোস্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশে যে সমস্ত রেডমি কোম্পানির মোবাইল লঞ্চ করা হয়েছিল সেগুলোই শুধুমাত্র এই পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

যে মোবাইলটি কিনতে চান অবশ্যই সেটি সম্পর্কে ভালোভাবে যাচাই করবেন এবং রিভিউগুলো ইউটিউবে দেখে নিবেন তারপর মোবাইলটি ভালো শোরুম থেকে কিনবেন।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *